শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

উখিয়া-টেকনাফের লকডাউন প্রত্যাহার

লকডাউন,ফাইল ছবি।

ভয়েস প্রতিবেদক:

উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলায় লকডাউন প্রত্যাহার করে আগামী ১৩ জুন পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ দেয়া হয়েছে। এর আগে উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের ৪ টি ওয়ার্ড যথাক্রমে ২, ৫, ৬ এবং ৯ নম্বর ওয়ার্ড সহ এই দুই উপজেলায় কঠোর লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছিল।
উখিয়ার ইউএনও নিজাম উদ্দিন আহমেদ ও টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পারভেজ চৌধুরী এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়নের উল্লেখিত ৪ টি ওয়ার্ডকে ‘রেডজোন’ হিসাবে চিহ্নিত করে গত ১ জুন রাত ১২ টা থেকে ৬ জুন রাত ১২ টা পর্যন্ত লকডাউন ঘোষনা করা হয়েছিল।

অপর দিকে কক্সবাজারের ৫ টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চলমান লকডাউন বর্ধিত করার বিষয়ে আগামীকাল সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন শরনার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার শাহ মোহাম্মদ রেজওয়ান হায়াত। গত ২১ মে থেকে ৫টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কঠোর লকডাউন বলবৎ রয়েছে।

উখিয়া ইউএনও নিজাম উদ্দিন আহমেদ ও টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পারভেজ চৌধুরী জানান , সম্প্রতি রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও উখিয়ায় করোনা সংক্রামণ আশংকাজনক ভাবে বেড়ে যাওয়ায় জেলা করোনা সংক্রামণ প্রতিরোধ কমিটির সিদ্ধান্তের আলোকে বিধি নিষেধ বাড়ানোর এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সরকারি নির্দেশনায় বলা হয়েছে বিধিনিষেধ চলাকালে দূরপাল্লার বাসসমূহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৫০ ভাগ যাত্রী নিয়ে সোমবার ৭ জুন থেকে চলাচল করতে পারবে। অন্যান্য গণপরিবহন এর ক্ষেত্রে চলমান নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। কেবলমাত্র অত্যাবশ্যকীয় ক্ষেত্রে চলাচল করতে পারবে।

হোষ্ট কমিউনিটিতে কার্যক্রম চালানো এনজিওসমূহ শুধুমাত্র অত্যাবশকীয় জরুরী সেবা, উপজেলা প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে পরিচালনা করতে পারবেন। রোহিংগা ক্যাম্পে কার্যক্রম পরিচালনাকারী আইএনজিও/এনজিও সমূহ শরনার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) এর কার্যালয় প্রদত্ত নির্দেশনা প্রতিপালন করবেন।

হাটবাজার ও দোকানপাট এর ক্ষেত্রে চলমান বিধিনিষেধ বহাল থাকবে। অতীব জরুরী প্রয়োজন ব্যাতীত ঘরের বাইরে বের হওয়া থেকে এবং হাটবাজার, চা এর দোকান, হোটেল রেস্তোরায় অহেতুক ঘোরাফেরা হতে বিরত থাকতে অনুরোধ জানিয়েছেন।

উখিয়ার ইউএনও নিজাম উদ্দিন আহমেদ এক পরিসংখ্যান দিয়ে বলেন, গত ১ মাসে উখিয়া উপজেলায় প্রায় ৪০০ এর বেশি স্থানীয় জনগোষ্ঠী করোনা পজিটিভ হয়েছেন। এর মধ্যে ২ শত জনেরও বেশি রোগী পাওয়া গেছে রাজাপালং ইউনিয়নে। তারমধ্যে আবার শুধুমাত্র রাজাপালং এর এই চার ওয়ার্ডে রোগীর সংখ্যা ১০০ জনেরও বেশি।

এদিকে গত ৫ জুন পর্যন্ত উখিয়া উপজেলায় ২ হাজার ৪৪৩ জন করোনা রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। তারমধ্যে, স্থানীয় নাগরিক ১ হাজার ৩১৫ জন এবং রোহিঙ্গা শরনার্থী ১ হাজার ১২৮ জন।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION